বিস্তারিত......
পূর্ব বিরোধের জেরে নেত্রকোনার বারহাট্টায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত শাহিন মিয়া (৫৫) নামের এক শ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
সোমবার বিকালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেছে বারহাট্টা থানার পুলিশ।
এ ঘটনায় জিয়া মিয়া (৪৮) ও কাউছার (৩৮) নামে দুজনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ১৮ মার্চ বারহাট্টা উপজেলার বাউসী বাজারে শাহীন ও ফারুক মিয়ার মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে শাহিন মিয়াসহ উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়।
Earn Money
আহতদের বারহাট্টা ও নেত্রকোনায় নেওয়া হলে শাহীনকে ময়মনসিংহ পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবনতি হলে স্বজনরা ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে আইসিউতে গত রবিবার (২২ মার্চ) শাহীনের মৃত্যু হয়।
এদিকে, সংঘর্ষের পরদিন (১৯ মার্চ) শাহীনের পরিবার বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশ ওই মামলার দুই আসামিকে আটক করে জেলে পাঠায়।
মামলার এজহার ও নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে বারহাট্রা থানার ওসি নাজমুল হাসান জানান, শাহিন মিয়া ও ফারুক মিয়া তারা ফেনী জেলায় শ্রমিকের কাজ করতেন। কিছুদিন আগে তারা ওইখানে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হলে ওইখানকার মানুষ মীমাংসা করে দেয়। এরই মধ্যে ঈদ উপলক্ষে তারা নিজ বাড়িতে আসেন।
Click Now
এরপর গত ১৮ মার্চ ফারুক ও শাহীন দুজনে বাউসী বাজারে গেলে আগের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু'জনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাদের ঝগড়া থামিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে দিলে তারা চলে যান। কিন্তু যাওয়ার পর উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়ান। এতে শাহিনসহ উভয়পক্ষের ৯-১০ জন লোক আহত হয়।
পরে তাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বারহাট্টা ও নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে শাহিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এরপর সেখানে তার অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকার প্রাইভেট একটি হাসপাতালে আইসিইউটে ভর্তি করেন। সেখানে রবিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে নিহতের স্বজনরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসলে পুলিশ সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে পুলিশ। Ad Click
এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় জিয়া ও কাউছার নামে দু'জনকে আটক করে নেত্রকোনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। যা এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।
Comments
Post a Comment
Thank you for commenting.