মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। জ্বালানি তেল পরিবহনের এই প্রধান রুটে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ২০০০ জাহাজ এবং ২০ হাজার নাবিক পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতির অপেক্ষায় থাকলেও বাস্তবে এই রুট প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বীমা কোম্পানিগুলো এই রুটকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ট্যাংকার জাহাজের জন্য যুদ্ধ ঝুঁকি বীমা বাতিল করে দেয়। ফলে অনেক জাহাজ চলাচলের সক্ষমতা থাকলেও বীমা না থাকায় কার্যত যাত্রা বন্ধ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, জলপথে পেতে রাখা নৌ-মাইন সরাতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে। এর আগে পুরোপুরি নিরাপদভাবে জাহাজ চলাচল সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইন সরানো হলেও বীমা খরচ দীর্ঘ সময় উচ্চ অবস্থানে থাকতে পারে। স্থায়ী রাজনৈতিক বা সামরিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটার সম্ভাবনা কম। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশের বেশি এই প্রণালি দিয়ে পরি...
কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের এন্ডারসন রোডের হোটেল নিশীতার ৪০৮ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম অর্জুন দাশ (৬০)। তিনি ফেনী জেলার শ্রীধাম চন্দ্র দাশের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিল অর্জুন দাশ এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে হোটেলের ওই কক্ষটি তিন দিনের জন্য ভাড়া নেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না মেলায় হোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। পরে বুধবার বিকেলে কক্ষের সামনে গিয়ে ভেতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ পান কর্মীরা। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করে। দীর্ঘ সময় কক্ষে পড়ে থাকায় মরদেহটি অর্ধগলিত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধারকালে মরদেহটি নগ্ন অবস্থায় ছিল। পাশ থেকে একটি গামছাও পাওয়া গেছে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দি...