রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন বিজয় সরণি এলাকায় হাইস গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম ইয়াকুব আলী (৫০)। তিনি মিরপুর ১২ এলাকার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ কাজীর ছেলে। বুধবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ইয়াকুব আলী পোস্তগোলা থেকে পাঠাও রাইডে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। বিজয় সরণি এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি হাইস গাড়ি পাঠাও মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। পরে পাঠাও চালকের সহযোগিতায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় হাইস গাড়ির চালক ফরহাদ (২৫) নিহতের স্বজনদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প জানায়, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। জ্বালানি তেল পরিবহনের এই প্রধান রুটে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ২০০০ জাহাজ এবং ২০ হাজার নাবিক পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতির অপেক্ষায় থাকলেও বাস্তবে এই রুট প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বীমা কোম্পানিগুলো এই রুটকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ট্যাংকার জাহাজের জন্য যুদ্ধ ঝুঁকি বীমা বাতিল করে দেয়। ফলে অনেক জাহাজ চলাচলের সক্ষমতা থাকলেও বীমা না থাকায় কার্যত যাত্রা বন্ধ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, জলপথে পেতে রাখা নৌ-মাইন সরাতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে। এর আগে পুরোপুরি নিরাপদভাবে জাহাজ চলাচল সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইন সরানো হলেও বীমা খরচ দীর্ঘ সময় উচ্চ অবস্থানে থাকতে পারে। স্থায়ী রাজনৈতিক বা সামরিক সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা কাটার সম্ভাবনা কম। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের ২০ শতাংশের বেশি এই প্রণালি দিয়ে পরি...